মহা- চদু!

মহা- চদু!

আমরা জনগন হলাম মহা-চদু! চেয়্যারম্যান- মেম্বার কামড়া-কাড়ি করছেন, জেলে কার্ড, ভি জি এফ কার্ড নিয়ে। বিগত কিছুদিন সাধারণ মানুষের মাঝে ভেসে বেড়াচ্ছে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা নিয়ে। বিবাদে জড়িয়ে পড়া সকলেই বর্তমান ক্ষমতায়। তাদের রাজনৈতিক পরিচয় এক। তবুও বিভক্ত দু’ দলে। ‍এক দলের বক্তব্য: আমরা চুরি, অনিয়ম ধরিয়ে দেওয়ার জন্য এই পরিস্থিতি।

অন্য দলের কথা- মামার ক্ষমতায় আর কত!


আমরা চদুর দল। তাই ছিলা কলা আমাদের মুখের সামনে। আমরা বুঝতে পারিনা কলা তুমি কার, কেনোই বা তোমাকে ছিলা অবস্থায় আমদের সামনে আসতে হয়। যদি কলা আমার হয়, তাহলে কেন সিদ্ধান্ত আমি নিতে পারিনা, কলা আমি কি করে খাবো। আমরা চদুর দল আপনাদের গাওয়া গান কেন আপনাদের মতন করে সব সময় শুনবো। আমরা চদুর দল আপনাদের গান আপনাদের মতন করে শুনতে চাইনা। আপনাদের গান আমরা চদুর দল স্বার্থের টানে নয় বিবেকের কষাঘাতে শুনতে চাই। ‍এবং একই সাথে সে গানে আমরা কিছু বাদ্য যন্ত্র সংযোজন করতে চাই। আজ শুধু খোল-চাকি বাজাবো সে গানে। তারপর চদুদের সাথে বসে শোনেন  গানের কোন রিদম কেটেছে কিনা!

কার্ড গুলোতো জনগন নামক চদুদের জন্য।তাহলে চদুদের পক্ষ থেকে আমার দাবি – কার্ড সংক্রান্ত সকল তথ্য পরিষদের সামনে তালিকা করে দিতে হবে। এই যেমন মোট কত গুলো কার্ড হলো, কোন ব্যাক্তির নামে হলো। ওয়ার্ড ভিত্তিক মেম্বারদের দ্বায়িত্বে সে গুলোর তালিকা দিতে হবে।

আপনারা যাহারা নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন, সবারই এক বোল, এক রিদম থাকে। সেটা হলো- সেবা করতে এসেছি। আমি আপনার ভাই, বন্ধু, সন্তান। তাহলে প্রশ্ন হলো আমার প্রথম প্রস্তাব কেন কার্যকর হবে না। আমার পরবর্তী প্রশ্ন – নির্চনের  পর কেন নির্চনের পূর্বে যাহারা আপনার ভাই, বন্ধু , সন্তান বলে ডেকেছেন কেন নির্বাচনের পরে তাদের সুখ-দুঃখের কথা বলার প্রহর গুনতে হয় অপেক্ষায় থাকা নিজেকে অসহায়ের চরম লাঞ্চনায় পতিত করে? তখন চদুদের দশা এমন যে, এটা বলা তাদের জন্য মহা পাপের ।

চদুদের পক্ষ থেকে আপনাদের মিনতি করে প্রশ্ন করি- কেন আপনারা ব্রত থেকে বিচ্ছুতি হবেন? আপনার স্বরন থাকা দরকার, এই সেবা কারার মানষে আপনাদের এই পথে অগ্রসর হওয়া।

আপনারা ক্ষমতা পান। চদুদের বুঝিয়ে বলবেন, কি সেই ক্ষমতা! আমি কি জিনিস এই ক্ষমতা দেখানো, নাকি জনগনের অধিকারের দ্বয়িত্ব কাঁধে রাখার ক্ষমতা? আপনাদের উত্তর যদি হয় জনগনের অধিকারের দ্বায়িত্বের ক্ষমতা এবং তার পরও যদি আমরা চদুরা বুঝতে পারি আপনার কথা এবং কাজের মধ্যে কোথায় ফাঁকি আছে, তাহলে আবারও অনুরোধ করবো আপনারা এ পথে আসবেন না। কারণ, আপনাদের পাওয়া সম্মান এবং সম্মানিতে আপনারা সন্তুষ্ট নন। তারপরও যদি কোন যুক্তি দাঁড় করাতে চান তাহলে তার পূর্বে চদু-দের পক্ষ থেকে চদুদের যুক্তি শুনে যান-

উদাহরনের জন্য বলা। কোন কর্মজীবী শ্রেনীকে হেও করা আমার উদ্দেশ্য নয়। আমরা যখন যাত্রী হিসাবে যান-বাহন সেবার অপেক্ষায় থাকি এবং প্রায়শই আমাদের নায্যের অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়। তখন যানবাহন পরিচালনা পক্ষ থেকে যে যুক্তি গুলো উপস্থাপন করা হয় সে গুলো এমন- এখন গরমের সময়, এখন শীতের সময়, এখন বৃষ্টির সময়, এখন দিনের বেলা, এখন রাতের বেলা। আপনি যখন যাত্রী হবেন তখন বুঝবেন এর যন্ত্রনা। দয়া করে চদুদের এমন যুক্তির যন্ত্রে পিষ্ট করে মহা চদু বানাবেন না।

ইতিহাস সাক্ষী! এদেশে ছক্কা সাইফুরের জন্ম হয়েছিল।


Previous
Next Post »